নিউ ইয়র্কে সাড়া জাগিয়েছে বাইডেন বিরিয়ানি!

33

নিউইয়র্ক থেকে: নিউ ইয়র্কের জনপ্রিয় খাবার খলিল বিরিয়ানি। কেবল বাংলাদেশিদের মধ্যে নয়, এই খাবার পছন্দ করে খেতে যান অন্য দেশ থেকে আসা মানুষও।

ব্রঙ্কসের এই রেস্টুরেন্ট প্রতিষ্ঠা করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেফ খলিলুর রহমান। এমনিতেই স্বাদ ও মানের দিক থেকে খলিল বিরিয়ানি ও হালাল চায়নিজের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশেষ একটি কারণে সাড়া ফেলেছে এই রেস্টুরেন্টটি। ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের বিজয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে ‘বাইডেন বিরিয়ানি’ নামে বিরিয়ানির একটি রেসিপি খাবারের তালিকায় যুক্ত করেছেন তাঁরা।

প্রতিষ্ঠানটির সিইও ও প্রধান শেফ খলিলুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জো বাইডেন যখন বিজয়ী হন, তখন আমি আনন্দিত হয়ে ভাবি কিছু করা দরকার। বিশেষ করে নতুন প্রেসিডেন্টকে সম্মান জানানোর জন্য। তখন একটি বিরিয়ানির রেসিপি ভাবি, নাম দেই বাইডেন বিরিয়ানি। এটি নতুন প্রেসিডেন্টের প্রতি সম্মান জানানোর জন্যই করা হয়েছে।’

এরপরই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরা তো বটেই, করোনার মধ্যেই অনেকে এই খাবার অর্ডার করছেন। কৌতুহলী হয়ে খাবারটি সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছে এখানকার গণমাধ্যমগুলোও। বিশেষ করে খাবারের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের নাম জুড়ে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে পড়াশোনা করে নিউ ইয়র্কে এসে  রান্না নিয়ে কুলিনারি ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা করেছেন খলিলুর রহমান। তাঁর প্রতিষ্ঠানে নানা রকমের বিরিয়ানির পসরা এমতিই রয়েছে। সেইসঙ্গে নতুন নতুন আইটেম সামনে আনছেন তিনি।

বাইডেন বিরিয়ানি প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান আরো বলেন, ‘অনেকে অনেকভাবে নিজেদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবারই আমার শিল্প। আমি আমার শিল্পের মাধ্যমে জো বাইডেনের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ ঘটাতে চেয়েছি।’

খলিলুর রহমান জানান, ভবিষ্যত প্রেসিডেন্টদের সম্মানেও তিনি এমন উদ্যোগ নেবেন। ১২ ডলার খরচ করলেই একজন পেয়ে যাচ্ছেন বাইডেন বিরিয়ানি। ডেমোক্র্যাট সমর্থকরা এতে অনেক খুশি। কৌতুহলী অন্যেরাও। তাই বিক্রিও জমে উঠেছে বাইডেন বিরিয়ানির। – শামীম আল আমিন, নিউ ইয়র্ক থেকে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.