দলে বিতর্কিত লোকের অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে : কাদের

5

ঢাকা: যেকোন মূল্যে বিতর্কিত লোকদের দলে অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ওসেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘দু-একদিনের মধ্যে সাব-কমিটি দেওয়া হবে। কোন বিতর্কিত লোক যেনো সাব কমিটিগুলোতে আসতে না পারে। দাগী সন্ত্রাসী, প্রতারক ধান্দাবাজ যেনো কমিটি গুলোতে আসতে না পারে। বিতর্কিতলোকদের দলে অনুপ্রবেশ যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে।’

ওবায়দুল কাদের আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগকেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন। বৈঠকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতিশেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বলেন, কোন একজন একাধিক পদে থাকতে পারবে না। মহানগরসহ সহযোগী সংগঠন গুলোওে যদি কোন ব্যাক্তি সদস্য পদও থাকে তিনি সাব-কমিটিতে থাকতে পারবেন না। এখানে অনুপ্রবেশের ঘটনা আমরা দেখতে চাই না। এটা প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশ। কমিটিগুলোতে যারা সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন তারা এ বিষয়গুলো বিশেষভাবে দেখবেন।

করোনা সচেতনতা প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী মন্ত্রী বলেন, দলীয় ভাবে আওয়ামী লীগ সচেতনতা কার্যক্রম চালাবে। আমরা দলীয় ভাবে সচেতনতা কার্যক্রম চালাবো। আমি আমাদের সাংগঠনিক ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছি। মহানগর-জেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত ইউনিটগুলো সচেতনতা কার্যক্রম চালাবে।নেতাকর্মী সকলকে মাস্ক পরতে হবে।

করোনা মহামারী প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, সারা বিশ্ব করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কায় বিপর্যস্ত। আমাদের এখনই আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছেন। সকলকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, এর কোন ব্যত্যয় ঘটনো যাবে না।

আওয়ামী লীগের সাধঅরণ সম্পাদক বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে ফেসবুক-ইউটিউবে অপপ্রচার চলছে। এসবের ওপর ভিত্তি করে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে। তাই সবাইকে শতর্ক থাকতে হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা পরিস্কার ভাবে বলতে চাই-এ পার্টি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পার্টি। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। যে কোন অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনার বাইরে যাবার আমাদের সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার আদর্শের প্রশ্নে কোন আপস নেই।

সম্পাদকমন্ডরলীর সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এসএম কামাল ও মির্জা আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ। সূত্র: বাসস

Leave A Reply

Your email address will not be published.