কর্মকর্তাদের কাজে অসন্তুষ্ট ওবায়দুল কাদের

5

ঢাকা: মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ঢাকা এয়ারপোর্ট সড়কের সৌন্দর্য বর্ধনের বিষয়টি কতোবার বলেছি, অর্ধযুগ শেষ হতে চলল কিন্তু নীতিমালার কাজ শেষ হয়নি। একটি নীতিমালা করতে কতো বছর লাগে। এমন একজন দক্ষ কর্মকর্তা কি এই বিভাগে নেই! সচিব সাহেবকে আমি অর্ধডজন বার স্মরণ করিয়ে দিয়েছি। এ বিষয় নিয়ে আর বলতে চাই না। আপনাদের বিবেকের কাছেই প্রশ্ন রাখলাম।

সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তা এবং দফতর প্রধানের সঙ্গে উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, সম্প্রতি আমি সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের ১০টি জোন, বিআরটিসি, বিআরটিএ, ডিটিসিএসহ প্রধান প্রধান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি বিষয়ক সভায় সবার সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কথা বলেছি। আমি যে বিষয়গুলো সবসময় বলে আসছি বা পর্যালোচনা সভাগুলোতে কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলাম, সেগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি কতটুকু তা সচিব সাহেব জানাবেন।

মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দফতর প্রধানরা উপস্থিত আছেন, তাই কিছু বিষয়ে আমি আবারও কথা বলতে চাই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাসড়কের পাশ বিভাজক পরিষ্কার রাখতে হবে। ব্যানার-ফেস্টুন রাখা যাবে না। কেউ বাধা দিলে আমাকে জানাবেন। যে বিভাগের সড়ক অপরিষ্কার থাকবে, সেই নির্বাহী প্রকৌশলীকে এর দায় নিতে হবে। এ বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা দিতে হবে।

মহাসড়কের ওপর ময়লার ভাগাড়ের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মোগড়াপাড়া, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, নবীনগর, চন্দ্রাসহ বিভিন্ন স্থানে সিটি কর্পোরেশন আর পৌরসভা ময়লা ফেলে যাচ্ছে। দুর্গন্ধে এর পাশে চলা যায় না। বিদেশিরাও এসব সড়ক ব্যবহার করে। তখন তাদের ইম্প্রেশনটা কেমন হয়- আপনারা কি একবার ভেবে দেখেছেন?

তিনি বলেন, আমি নির্দেশনা দিয়েছিলাম সচিব সাহেবকে, পরিবেশ অধিদফতরসহ পার্শ্ববর্তী সব সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভা নিয়ে বসতে। কিন্তু তিনি বসেছেন কি না জানি না, আমি জানতে পারিনি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.